দল মনোনয়ন দিলে হারানো আসন উদ্ধার করবো : ফজলে হুদা বাবুল

দল আমাকে মনোনয়ন দিলে হারানো আসনটি উদ্ধার করবো। আমি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার দলের ত্যাগী নেতা- কর্মীদের নিয়ে সব কর্মসূচি সফল করতে কাজ করে যাচ্ছি। নিজের বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচির মাধ্যমে ইতোমধ্যে এলাকার মানুষের কাছে যেতে সক্ষম হয়েছি। এখন তাদের অনুরোধেই মূলত নির্বাচনের ইচ্ছা পোষণ করেছি। আমার আত্মবিশ্বাস দল আমাকে মনোনয়ন দিবে। যদি আমাকে মনোনয়ন না দেয় তবুও আমি দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যাবো না। আজকালের খবরের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে নির্বাচন করার ইচ্ছা পোষণ করেছেন বিএনপি নেতা ফজলে হুদা আকন্দ বাবুল। তিনি নওগাঁ-৩ (বদলগাছী-মহাদেবপুর) আসন থেকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে চান।
নির্বাচনে জয়ী হতে পারলে নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকার দুটি উপজেলার মধ্যে অন্তত ১৫-২০টি গার্মেন্টসসহ শিল্প-কলকারখানা স্থাপন করার ইচ্ছা রয়েছে। আমি আশা করি, এসব কারখানায় দুই উপজেলায় কয়েক হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। ইতোমধ্যে আমি আমার বেশকিছু শুভাকাক্সক্ষী ও বন্ধুর সঙ্গে কথা বলেছি যারা দেশে-বিদেশে বিভিন্ন শিল্প-কলকারখানার মালিক। তারা এলাকায় শিল্প-কলকারখানা নির্মাণের ব্যাপারে আমাকে আশ্বস্ত করেছে। এছাড়া এই এলাকার প্রধান সড়কগুলোর বেহালদশা। এগুলো ঠিক করার ইচ্ছা আমার রয়েছে।
তিনি বলেন, আমাদের এলাকার সবজি দেশের অধিকাংশ এলাকার চাহিদা পূরণ করে থাকে। কৃষকরা যাতে তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পায় সেদিকে লক্ষ্য রাখবো। একইসঙ্গে এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো উন্নয়ন কিভাবে করা যায় সেদিকে তীক্ষè দৃষ্টি রাখবো। আমি ভোটের রাজনীতি করি না। বরং এলাকার মানুষের পাশে থাকতে চাই। ১৯৮৮ সালে মাধ্যমিক ও ’৯০ সালে ঢাকা সিটি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন সাবেক এই ছাত্রনেতা। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিসাববিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর লাভ করেন। তার ছাত্র থাকা অবস্থায় শহীদ জিয়ার আদর্শের প্রতি ঝুঁকে পড়েন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যয়নরত অবস্থায় জসিমউদ্দিন হলের ছাত্রদলের সাহিত্য সম্পাদক ও একই হলের ডিবেটিং ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা জাতীয়তাবাদী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সহ-সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন। বর্তমানে তিনি একটি বহুজাতিক কোম্পানির নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বলেন, বিএনপির ভোটব্যাংক খ্যাত এই আসনে গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যপক ভোট পার্থক্যের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থী জয়ী হয়। কারণ বিএনপির সাবেক এমপির দাম্ভিকতা, ত্যাগী নেতা-কর্মীদের অবমূল্যায়ন, এলাকার জনসাধারণের সঙ্গে অসদাচরণ, তৃণমূল নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সমন্বয়হীনতাসহ বিভিন্ন কর্মকান্ডের জন্য আসনটি হারাতে হয়।