“পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে আমি বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের মুসলমানদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ। ঈদ মোবারক।
ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত প্রতি বছর ঈদুল আযহা আমাদের মাঝে ফিরে আসে। স্বার্থপরতা পরিহার করে মানবতার কল্যানে নিজেকে উৎসর্গ করা কোরবানীর প্রধান শিক্ষা। হিংসা-বিদ্বেষ, লোভ-ক্রোধকে পরিহার করে সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় আত্মনিবেদিত হওয়া আমাদের কর্তব্য। কোরবানীর যে মূল শিক্ষা তা ব্যক্তি জীবনে প্রতিফলিত করে মানব কল্যানে ব্রতী হওয়ার মাধ্যমে মহান আল্লাহ রাব্বুল আল আমিনের সšত্তষ্টি ও নৈকট্য লাভ সম্ভব। বিশ্বাসী হিসেবে সে চেষ্টায় নিমগ্ন থাকা প্রতিটি মুসলমানের কর্তব্য।
দেশে এক ভয়ংকর নৈরাজ্য চলছে। মানুষের জান, সহায়-সম্পদের কোনো নিরাপত্তা
নেই। ঈদের প্রাক্কালে বেশ কয়েকটি গুমের ঘটনায় আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।
ভয়াল অন্ধকার উৎসবের আনন্দকে ম্লান করে দেয়। দেশের বর্তমান অবস্থায়
সকলের পক্ষে ঈদের আনন্দ যথাযথভারে উপভোগ করা সম্ভব হবে না। এদিকে চাল, ডাল,
লবন, পিঁয়াজ, মরিচসহ দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন উর্দ্ধগতি দরিদ্র ও কম আয়ের
মানুষকে চরম দূর্ভোগের মুখে ঠেলে দিয়েছে।
মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের মানুষ আরো বিপন্ন হয়ে পড়বে। পানি, জ্বালানী তেল, গ্যাস, বিদ্যূতের তীব্র সংকট, সড়ক ও মহাসড়কের বেহাল অবস্থা জনজীবনে দূর্বিসহ অবস্থার সৃষ্টি করেছে। এবারে একের পর এক হাওড়ে বন্যা, পাহাড়ী ধ্বস ও সম্প্রতি উত্তরাঞ্চলসহ দেশের ২৭টি জেলায় ভয়াবহ বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে অনেকেই স্বজন হারিয়েছে, ঘরবাড়ী, জোত-জমিসহ সহায় সম্পদ বানের পানিতে ভেসে গেছে। এখনও ভেসে যাওয়া বসতবাড়ীর শুণ্য ভিটায় ঠাঁই করতে পারেনি হাজারো মানুষ।
তাই আমি বিএনপি নেতাকর্মীসহ দেশের সকল বিত্তবান ও সামর্থবান ব্যক্তিদের আহবান জানাই-প্রাকৃতিক দুর্যোগে দুর্গত অসহায় মানুষের দিকে সাহায্য ও সহমর্মিতার হাত প্রসারিত করার জন্য। ঈদের আনন্দের দিনে কেউ যাতে অভুক্ত না থাকে-সেদিকে আমাদের সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। আমাদের ঈদের আয়োজনে উপদ্রুত অসহায় মানুষ যেন অংশগ্রহণ করতে পারে সেই উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সবার প্রতি আহবান জানাচ্ছি। ঈদের আনন্দকে ভাগ করে নিতে হবে এক কাতারে মিলে।
ঈদুল আযহা সবার জীবনে বয়ে আনুক সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি, সমাজে সৃষ্টি হোক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের মেলবন্ধন, মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে এই প্রার্থনা জানাই।
আল্লাহ হাফেজ, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।”
(এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী)
সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি।
মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের মানুষ আরো বিপন্ন হয়ে পড়বে। পানি, জ্বালানী তেল, গ্যাস, বিদ্যূতের তীব্র সংকট, সড়ক ও মহাসড়কের বেহাল অবস্থা জনজীবনে দূর্বিসহ অবস্থার সৃষ্টি করেছে। এবারে একের পর এক হাওড়ে বন্যা, পাহাড়ী ধ্বস ও সম্প্রতি উত্তরাঞ্চলসহ দেশের ২৭টি জেলায় ভয়াবহ বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে অনেকেই স্বজন হারিয়েছে, ঘরবাড়ী, জোত-জমিসহ সহায় সম্পদ বানের পানিতে ভেসে গেছে। এখনও ভেসে যাওয়া বসতবাড়ীর শুণ্য ভিটায় ঠাঁই করতে পারেনি হাজারো মানুষ।
তাই আমি বিএনপি নেতাকর্মীসহ দেশের সকল বিত্তবান ও সামর্থবান ব্যক্তিদের আহবান জানাই-প্রাকৃতিক দুর্যোগে দুর্গত অসহায় মানুষের দিকে সাহায্য ও সহমর্মিতার হাত প্রসারিত করার জন্য। ঈদের আনন্দের দিনে কেউ যাতে অভুক্ত না থাকে-সেদিকে আমাদের সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। আমাদের ঈদের আয়োজনে উপদ্রুত অসহায় মানুষ যেন অংশগ্রহণ করতে পারে সেই উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সবার প্রতি আহবান জানাচ্ছি। ঈদের আনন্দকে ভাগ করে নিতে হবে এক কাতারে মিলে।
ঈদুল আযহা সবার জীবনে বয়ে আনুক সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি, সমাজে সৃষ্টি হোক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের মেলবন্ধন, মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে এই প্রার্থনা জানাই।
আল্লাহ হাফেজ, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।”
(এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী)
সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি।
















পাহাড় ধবসের দুর্গতদের দেখতে রাঙামাটি যাওয়ার পথে
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় হামলার শিকার হওয়ার বিষয়ে কথা বলেছেন বিএনপির
মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে রবিবার বেলা
১টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির
খসরু মাহমুদ চৌধুরী রক্তাক্ত হয়েছেন। আমি আঘাত পেয়েছি, আরও কয়েকজন আঘাত
পেয়েছেন। কিন্তু এটা ব্যক্তিগত আঘাত নয়। এই আঘাত গণতন্ত্রের উপর আঘাত। যারা
মুক্ত চিন্তা করেন, সরকারের বিরোধিতা করেন তাদের প্রতি আঘাত।’
তিনি বলেন, ‘এই ঘটনার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের চরিত্র উন্মোচিত হয়েছে।
আমাদের এই অবস্থা হলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কী হয়েছে?’ তিনি আরও বলেন,
‘এটা একটা ভয়াবহ ঘটনা। জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে এটা প্রতিরোধ করতে হবে।’
হামলার বর্ণনা দিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম ইসলাম বলেন, ‘তখন মুশলধারে বৃষ্টি
হচ্ছিলো। হঠাৎ করে ৩০ থেকে ৪০ জন লাটিসোটা ও পাথর নিয়ে আক্রমণ করলো।
প্রথমেই গাড়ির উইন্ডস্ক্রিন বিরাট একটা পাথর দিয়ে ভেঙে ফেললো। এরপর হামলা
চালালো।’
উল্লেখ্য এর আগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী
বলেন, রবিবার (১৮ জুন) বেলা সাড়ে ১০টার দিকে পাহাড় ধসের দুর্গতদের দেখতে
রাঙ্গুনিয়ার দিকে যাচ্ছিলেন তারা। এ সময় শান্তিরহাট এলাকায় রাস্তায়
ব্যারিকেড দিয়ে তাদের গাড়িবহরে হামলা চালানো হয়। তিনি বলেন, ‘রাস্তা আটকে
রড নিয়ে হামলা চালায় আমাদের ওপর। পাথরও নিক্ষেপ করে। দুটি গাড়ি ম্যাসাকার
হয়ে গেছে।’
তিনি আরও জানান, তিনিসহ হামলার শিকার হয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হাতে
ব্যথা পেয়েছেন। দলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবর রহমান
শামীমও আঘাত পেয়েছেন। একজনের মাথা ফেটে গেছে। 

