বি.এন.পি এর প্রতিষ্ঠাতা

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।

সাবেক ডেপুটি স্পিকার জনাব আকতার হামিদ সিদ্দিকী নান্নু ভাইয়ের ইন্তেকালে আমরা শোকাহত (নওগাঁ জেলা বিএনপি পরিবার)

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ১০ম ডেপুটি স্পিকার জনাব মোঃ আখতার হামিদ সিদ্দিকী নান্নু। গত ১৯ নভেম্বর রবিবার দুপুর ১২টায় রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং থেকে খবরটি নিশ্চিত করা হয়। 'নওগাঁ জেলা বিএনপি পরিবার' তার রুহের মাগফিরাত কামনা করছে। এবং তার এই অপূরনীয় অভাবকেই শক্তি হিসাবে নিয়ে জাতীয়তাবাদী দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে বদ্ধ পরিকর।

জাতীয়তাবাদী চেতনা উজ্জীবিত ফজলে হুদা বাবুল ভাই

মহাদেবপুর প্রেস ক্লাবে ল্যাপটপ প্রদান অনুষ্ঠানে,এক আনন্দঘোন পরিবেশে ফজলে হুদা আকন্দ বাবুল ভাই,রুমী চৌধুরী,রেজাউন নবী সান্ডু ভাই সহ স্থানীয় জনপ্রতিনীধিগন।

জনাব তারেক রহমান এর শোকবার্তা

 



বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান এর শোকবার্তা

আজ বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এর সহধর্মিনী অলিফা আকতার কান্তা ইসলাম এর মৃত্যুতে গভীর শোক দু: প্রকাশ করেছেন বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান।

আজ এক শোকবার্তায় বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, “অলিফা আকতার কান্তা ইসলাম এর মৃত্যুতে তাঁর শোকবিহব্বল পরিবারবর্গের মতো আমিও গভীরভাবে সমব্যাথী। নজরুল ইসলাম খানের সহধর্মিনী মরহুমা অলিফা আকতার কান্তা সবসময় রাজনীতিবিদ স্বামীকে উৎসাহ অনুপ্রেরণা যোগাতেন। তিনি কঠোর শ্রম দিয়ে তাঁর সন্তানদের সুশিক্ষিত প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন।

দোয়া করি-মহান রাব্বুল আলামীন যেন তাঁকে বেহেস্ত নসীব এবং শোকে ¤্রয়িমান পরিবারের সদস্যদেরকে ধৈর্য ধারণের ক্ষমতা দান করেন।

বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শোকবার্তায় অলিফা আকতার কান্তা ইসলাম এর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারবর্গ, আত্মীয়স্বজন, গুণগ্রাহী শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

                                                              

জনগণের সমস্যা সমাধানে অগ্রাধিকার: তারেক রহমান

  


বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সম্প্রতি

 জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএমআয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি মনে করেনদেশের মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সমস্যাগুলো নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর আরও বেশি আলোচনা করা উচিত।

তারেক রহমান বলেন, "সংবিধাননির্বাচনসরকার ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি আমাদের উচিত মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন নিয়েও কথা বলা। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধিচিকিৎসা  শিক্ষা ব্যবস্থার অভাব ইত্যাদি সমস্যাগুলো আমাদের সামনে তুলে ধরা উচিত।"

তিনি আরও বলেন, "আমাদের উচিত কৃষি উৎপাদন বাড়ানোবাজার ব্যবস্থা ঠিক করা এবং মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে দ্রব্যমূল্য রাখা। শুধু রাজনৈতিক সংস্কার নয়মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্যও আমাদের কাজ করতে হবে।"

তারেক রহমান মনে করেনদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত জনগণের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো সমাধানের পথ খুঁজে বের করা। তিনি বলেন, "আমাদের সমালোচনা অবশ্যই করতে হবেতবে সমালোচনার নামে যেন আমরা জনগণের সমস্যাগুলো ভুলে না যাই। আসুনআমরা সবাই মিলে দেশের মানুষের জন্য কাজ করি।"

তিনি আরও বলেন, "আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি ভালো শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা দরকার। তবেই আমরা একটি সমৃদ্ধশালী দেশ গড়তে পারব।"

প্রিয় নেতার কথাগুালোকে যদি পয়েন্ট আউট করে তবে এমন দাড়ায়।

·  জনগণের সমস্যা প্রাধান্য:

  • সংবিধাননির্বাচনসরকার ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনার চেয়ে জনমানুষের সমস্যা সমাধান নিয়ে বেশি আলোচনা করা উচিত।
  • নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যচিকিৎসাশিক্ষা ইত্যাদি সমস্যা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর আলোচনা করা উচিত।

·  সমস্যার সমাধান:

  • জনগণের রায় পেলে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য কীভাবে ক্রয়সীমার মধ্যে রাখা হবেসে বিষয়ে আলোচনা করা উচিত।
  • বাজার ব্যবস্থা সাজানো এবং উৎপাদন বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করা উচিত।
  • কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা।
  • ন্যূনতম চিকিৎসা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়।
  • ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সঠিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

·  রাজনৈতিক সংস্কার:

  • শুধু তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বা সাংবিধানিক ব্যবস্থা নিয়ে নয়জনগণের সমস্যা সমাধানের বিষয়গুলো নিয়েও সংস্কারের প্রয়োজন।
  • রাজনৈতিক দলগুলোর বাস্তবধর্মী সমালোচনা করা উচিততবে জনগণের ইস্যুগুলোকে ভুলে যাওয়া উচিত নয়।

·  ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা:

  • দেশের সমৃদ্ধশালী ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার জন্য সঠিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন।

 

(এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী) সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এর ঈদ শুভেচ্ছা বানী


বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
“পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে আমি বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের মুসলমানদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ। ঈদ মোবারক।
ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত প্রতি বছর ঈদুল আযহা আমাদের মাঝে ফিরে আসে। স্বার্থপরতা পরিহার করে মানবতার কল্যানে নিজেকে উৎসর্গ করা কোরবানীর প্রধান শিক্ষা। হিংসা-বিদ্বেষ, লোভ-ক্রোধকে পরিহার করে সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় আত্মনিবেদিত হওয়া আমাদের কর্তব্য। কোরবানীর যে মূল শিক্ষা তা ব্যক্তি জীবনে প্রতিফলিত করে মানব কল্যানে ব্রতী হওয়ার মাধ্যমে মহান আল্লাহ রাব্বুল আল আমিনের সšত্তষ্টি ও নৈকট্য লাভ সম্ভব। বিশ্বাসী হিসেবে সে চেষ্টায় নিমগ্ন থাকা প্রতিটি মুসলমানের কর্তব্য।
দেশে এক ভয়ংকর নৈরাজ্য চলছে। মানুষের জান, সহায়-সম্পদের কোনো নিরাপত্তা নেই। ঈদের প্রাক্কালে বেশ কয়েকটি গুমের ঘটনায় আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। ভয়াল অন্ধকার উৎসবের আনন্দকে ম্লান করে দেয়। দেশের বর্তমান অবস্থায় সকলের পক্ষে ঈদের আনন্দ যথাযথভারে উপভোগ করা সম্ভব হবে না। এদিকে চাল, ডাল, লবন, পিঁয়াজ, মরিচসহ দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন উর্দ্ধগতি দরিদ্র ও কম আয়ের মানুষকে চরম দূর্ভোগের মুখে ঠেলে দিয়েছে।
মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের মানুষ আরো বিপন্ন হয়ে পড়বে। পানি, জ্বালানী তেল, গ্যাস, বিদ্যূতের তীব্র সংকট, সড়ক ও মহাসড়কের বেহাল অবস্থা জনজীবনে দূর্বিসহ অবস্থার সৃষ্টি করেছে। এবারে একের পর এক হাওড়ে বন্যা, পাহাড়ী ধ্বস ও সম্প্রতি উত্তরাঞ্চলসহ দেশের ২৭টি জেলায় ভয়াবহ বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে অনেকেই স্বজন হারিয়েছে, ঘরবাড়ী, জোত-জমিসহ সহায় সম্পদ বানের পানিতে ভেসে গেছে। এখনও ভেসে যাওয়া বসতবাড়ীর শুণ্য ভিটায় ঠাঁই করতে পারেনি হাজারো মানুষ।
তাই আমি বিএনপি নেতাকর্মীসহ দেশের সকল বিত্তবান ও সামর্থবান ব্যক্তিদের আহবান জানাই-প্রাকৃতিক দুর্যোগে দুর্গত অসহায় মানুষের দিকে সাহায্য ও সহমর্মিতার হাত প্রসারিত করার জন্য। ঈদের আনন্দের দিনে কেউ যাতে অভুক্ত না থাকে-সেদিকে আমাদের সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। আমাদের ঈদের আয়োজনে উপদ্রুত অসহায় মানুষ যেন অংশগ্রহণ করতে পারে সেই উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সবার প্রতি আহবান জানাচ্ছি। ঈদের আনন্দকে ভাগ করে নিতে হবে এক কাতারে মিলে।
ঈদুল আযহা সবার জীবনে বয়ে আনুক সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি, সমাজে সৃষ্টি হোক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের মেলবন্ধন, মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে এই প্রার্থনা জানাই।
আল্লাহ হাফেজ, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।”

(এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী)
সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি।

বিএনপি’র ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বানী


“আমি বিএনপি’র ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।
আজকের দিনটি আমাদের সবার জন্য আনন্দ ও প্রেরণার। ১৯৭৮ সালের এই দিনে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বাকশালী একদলীয় দু:শাসনের জের ধরে সেসময়ে দেশে বিরাজমান চরম জাতীয় সংকটের কারণে যে রাজনৈতিক শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছিল তা পূরণ করতে বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র পূণ:প্রবর্তন এবং এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া বিএনপি বিগত ৩৯ বছরে বার বার সকলের অংশগ্রহণমূলক জনগণের ভোটে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে এবং দেশ ও জনগণের সমৃদ্ধি ও কল্যানে কাজ করে গেছে। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমাদের এই প্রিয় দল অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করেছে। এমনকি ৯ বছরের স্বৈরাচার বিরোধী গণতন্ত্র পুণরুদ্ধারের আন্দোলনেও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি রাজপথে আপোসহীন অগ্রণী ভূমিকা পালন করে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।
বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দেয়ার লক্ষ্যে বিএনপি ১৯৯১ সালে নির্বাচিত হয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালনকালে সাংবিধানিক সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন করেছে। সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের চর্চা ও বিকাশসহ দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় বিএনপির বলিষ্ঠ ভূমিকা জনগণ কর্তৃক সমাদৃত হয়েছে। এই কারনেই বিএনপি দেশবাসীর কাছে এখন সর্বাধিক জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল। জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অক্ষুন্ন রেখে দেশ ও জনগণের সেবায় বিএনপি আগামী দিনগুলোতেও বলিষ্ঠ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে ইন্শাআল্লাহ। বিএনপি বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা। বাংলাদেশের নিজস্ব স্বকীয়তা, স্বাধীনতা রক্ষায় বিএনপি তার ভূমিকা পালন করে চলেছে।
আজ দেশে স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে। ৫ জানুয়ারীর তামাশার নির্বাচনের পর গণতন্ত্র এখন মৃতপ্রায়। দেশবিরোধী নানা চুক্তি ও কর্মকা-ের মাধ্যমে বর্তমান সরকার জাতীয় স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে চলেছে। দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভয়াবহ রুপ ধারণ করেছে। দেশব্যাপী পথে-ঘাটে শুধু লাশের মিছিল। বিদ্যুৎ-গ্যাস-পানি নিয়ে হাহাকার চারদিকে। দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে।
দেশজুড়ে গণহত্যা. গুম, গুপ্তহত্যা, নারী ও শিশদের ওপর পৈশাচিকতা, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, নিপীড়ন ও নির্যাতনের মহোৎসব চলছে। ঈদুল আযহার প্রাক্কালে একের পর এক বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের গুম হওয়ায় চারিদিকে ভয় ও আতঙ্ক পরিব্যাপ্ত হয়েছে। দেশে এক শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি বিরাজমান। জনগণের অধিকার আদায়ে তাদের দুঃখ-কষ্ট লাঘবে এবং দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের ধারা আবারও পূণ:প্রতিষ্ঠার জন্য বিএনপি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। তাই এবারে আমাদের আন্দোলনের লক্ষ্য হারানো ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনা এবং বাক-ব্যক্তি ও মত প্রকাশের স্বাধীনতাসহ জনগণের মানবিক মর্যাদা সুরক্ষা করা।
আল্লাহ হাফেজ
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ”

ডাওনলোড করুন এ্যাপস ‘ভিশন-২০৩০’ কর্মপরিকল্পনা


বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী ‘ভিশন-২০৩০’ শিরোনামে একটি বিস্তৃত কর্মপরিকল্পনার খসড়া প্রণয়ন করে দেশ ও জাতির বর্তমান অবর্ননীয় অবস্থা এবং এ থেকে উত্তোরনের জন্য গণতন্ত্র এবং মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার উপর বিষদ আলোচনে করে বক্তব্য প্রদান করেন। তার বক্তব্যে ‘ভিশন-২০৩০’ শিরোনামে একটি বিস্তৃত কর্মপরিকল্পনায় আলোচিত বিষয়সমূহে তিনটি ‘গুড’ বা ‘সু’ অর্থাৎ থ্রি.জি-এর সমন্বয় গঠিত পরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়। এই থ্রি.জি হলো: গুড পলিসি, গুড গভরনেন্স এবং গুড গভর্নমেন্ট। অর্থাৎ সুনীতি, সুশাসন এবং সু-সরকার।
সকলের সুবিধার্থে বদলগাছী- মহাদেবপুর বিএনপির দূর্দিনের কান্ডারী তরুন জন নেতা ফজলে হুদা ভাইয়ের অত্যাধুনিক রাজনৈতিক চিন্তার ফসল ও পরামর্শে  ভিশন ২০৩০ এ্যাপস করা হয়েছে, বিস্তারিত জানুন, অন্যকে জানান। ডাওনলোড লিংক। 

দেশ ও জাতির ভাগ্য উন্নয়নে ' ভিশন ২০৩০ ' কি ও কেন? জানতে হবে।




আমাদের প্রিয় বাংলাদেশকে সুখী সমৃদ্ধ উন্নত দেশ হিসাবে বিশ্বের দরবার মাথা উচু করে দাড়াতে প্রয়োজন একটি প্রশিক্ষন প্রাপ্ত শিক্ষিত কর্মমুখী জাতি গঠন। আর এই জাতি গঠনে প্রয়োজন সময় উপযোগী তথ্য ভিত্তিক রাজনীতির। যেখানে সবার আগে দলের তৃনমুল নেতা কর্মীদের প্রশিক্ষিত করতে হবে, যেন নেতা কর্মীর তথ্য প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার করে তথ্য ভিত্তিক রাজনীতে উল্ল্যেখযোগ্য ভুমিকা রাখতে পারে।
তথ্য ভিত্তিক রাজনৈতিক কর্মকান্ডকে আরো বিরাট ও সাফল্য মন্ডিত করতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
  ' ভিশন ২০৩০ ' প্রনয়ন করেছে।
কিন্তু অপ্রিয় হলেও সত্য যে 'ভিষন ২০৩০' এ আসলে কি আছে তা আমরা অনেকেই জানি না। আর তাই বদলগাছী - মহাদেবপুরের প্রান পূরুষ ,সকলের প্রিয় ও আস্থাভাজন, সুযোগ্য তরুন নেতা ফজলে হুদা বাবুল ভাই এর একান্ত প্রচেষ্টা আর পরামর্শে  ভিষন ২০৩০ এর সম্পূর্ন ২২ পৃষ্ঠার পিডিএফ ফাইলটি নওগাঁ জেলার সকল উপজেলায় পৌছে দেয়ার পরিকল্পনায় তার এই ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হলো।  ডাওনলোড করুন ভিষন ২০৩০  ।

এ আঘাত ব্যক্তিগত নয়, এ আঘাত গণতন্ত্রের উপর আঘাত

বি এন পির মহাসচিব জনাব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর সহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বদলগাছী বি এন পির  সুযোগ্য সভাপতি ফজল হুদা বাবুল এবং ন্যাকারজনক ঘটনার প্রতিবাদে নওগাঁ জেলা বি এন পির ডাকে আগামী কাল সোমবার বিকেল ৫ টায় তাজের মোড় শহীদ মিনারের বিক্ষোভ সমাবেশে যুবদল সহ বি এন পি পরিবারের সকল স্তরের নেতা, কর্মী, সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।


পাহাড় ধবসের দুর্গতদের দেখতে রাঙামাটি যাওয়ার পথে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় হামলার শিকার হওয়ার বিষয়ে কথা বলেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে রবিবার বেলা ১টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী রক্তাক্ত হয়েছেন। আমি আঘাত পেয়েছি, আরও কয়েকজন আঘাত পেয়েছেন। কিন্তু এটা ব্যক্তিগত আঘাত নয়। এই আঘাত গণতন্ত্রের উপর আঘাত। যারা মুক্ত চিন্তা করেন, সরকারের বিরোধিতা করেন তাদের প্রতি আঘাত।’ তিনি বলেন, ‘এই ঘটনার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের চরিত্র উন্মোচিত হয়েছে। আমাদের এই অবস্থা হলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কী হয়েছে?’ তিনি আরও বলেন, ‘এটা একটা ভয়াবহ ঘটনা। জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে এটা প্রতিরোধ করতে হবে।’ হামলার বর্ণনা দিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম ইসলাম বলেন, ‘তখন মুশলধারে বৃষ্টি হচ্ছিলো। হঠাৎ করে ৩০ থেকে ৪০ জন লাটিসোটা ও পাথর নিয়ে আক্রমণ করলো। প্রথমেই গাড়ির উইন্ডস্ক্রিন বিরাট একটা পাথর দিয়ে ভেঙে ফেললো। এরপর হামলা চালালো।’ উল্লেখ্য এর আগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, রবিবার (১৮ জুন) বেলা সাড়ে ১০টার দিকে পাহাড় ধসের দুর্গতদের দেখতে রাঙ্গুনিয়ার দিকে যাচ্ছিলেন তারা। এ সময় শান্তিরহাট এলাকায় রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে তাদের গাড়িবহরে হামলা চালানো হয়। তিনি বলেন, ‘রাস্তা আটকে রড নিয়ে হামলা চালায় আমাদের ওপর। পাথরও নিক্ষেপ করে। দুটি গাড়ি ম্যাসাকার হয়ে গেছে।’ তিনি আরও জানান, তিনিসহ হামলার শিকার হয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হাতে ব্যথা পেয়েছেন। দলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবর রহমান শামীমও আঘাত পেয়েছেন। একজনের মাথা ফেটে গেছে।